অনেকেই যথাযথ স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে না ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মা ও শিশুরাওঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এম শাহীন আরিফিনঃ

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে গত বছরের ২৬শে মার্চ প্রথম লকডাউন ছিলো, এবার চলছে ২য় লকডাউন, মাঝ খানে কিছুটা হলেও করোনা ভাইরাস প্রভাব থেকে অনেকটাই আশঙ্কামুক্ত ছিলো, হঠাৎ করে লাফিয়ে লাফিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সহ মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে, রক্ষা পাওয়ার উপায় কি সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নানান জনের নানান মতবাদ এবং কেউ কেউ বলেছেন অথবা বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা অনুযায়ী ঘন ঘন হাত ধুতে হবে মাস্ক পড়তে হবে সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এ ছাড়া উপায় নেই করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার বাংলাদেশ সরকারেরও একই দিক নির্দেশনা। আজ বুধবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, রোগীর চাপ বেশি থাকায় স্বাস্থ্যসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকে হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেও না। আজ বুধবার সকালে জানা যায়, ভার্চুয়াল এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।জাহিদ মালেক বলেন, অনেকেই যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে না, কারণ রোগীর চাপ বাড়ছে। এতে মা ও শিশুরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, প্রতিদিন রোগী বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে স্বাস্থ্যসেবা দেয়াটা কঠিন হয়ে পড়বে।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সকলে মিলে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটি মোকাবিলা করতে হবে, করোনারোধ করা ছাড়া আর কোন বিকল্প নাই।টিকার বিষয়ে সাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, টিকা সব দেশের জন্যই প্রাপ্তি নিশ্চিত করা উচিত। শুধুমাত্র উন্নত দেশকে টিকা দিয়ে এই সমস্যা সমাধান হবে না।একই অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, এই কোভিড১৯কে সঙ্গে নিয়েই আমাদের জীবন ও জীবিকা নির্বাহ করতে হবে।এদিকে সম্প্রতি সারাদেশে করোনার প্রকোপ আশঙ্কা জনকভাবে বেড়েই চলছে, রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে রোগীদের, সিটও পাওয়া যাচ্ছে না, মিলছে না চিকিৎসকদের দেখা। হাসপাতালগুলোতে গেলেই দেখা যাচ্ছে এধরণের জটিলতা।এমনকি রোগীরা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। রোগী নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটছেন স্বজনরা, সঠিক সময়ে হাসপাতাল বেড না পাওয়ায় মৃত্যু হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সেরও।

Related posts