ধামরাই ভূমি অফিসে কম ঘুষে বেশি ঘোরাঘুরি, বেশি ঘুষে কাজ তাড়াতাড়ি!

ধামরাই ঢাকা প্রতিনিধি:

রাজধানীর গায়ে গা লাগানো ঢাকা জেলার ধামরাই দ্রুত গড়ে উঠছে নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান। ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে এখানকার জমির দামও। আর এ কারণেই ভূমি সংক্রান্ত বিরোধও বেড়েছে বহুগুণ। বিরোধে জড়িয়ে বা এ ধরনের ঝামেলা এড়াতে ধামরাই উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, মিস কেসসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করতে গিয়ে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ভূমি সংক্রান্ত কাজ করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অগোচরে তহশিলদার থেকে শুরু করে পিয়নদের পর্যন্ত ঘুষ দিতে হচ্ছে ।
ভূমি অফিসে আসা অধিকাংশ ভুক্তভোগীর মুখে একই কথা- হয়রানি আর ভোগান্তি কী তা এখানে না এলে বোঝা যায় না । অফিস নিয়মে প্রত্যেক ধাপে ঘুষ দিয়েই ফাইল এসিল্যান্ডের টেবিল পর্যন্ত পৌঁছানো হয়। এতে সহযোগিতা করে অফিসের কর্মচারী-দালাল সিন্ডিকেট।
ধামরাই উপজেলা ভূমি অফিসে মাসে কমপক্ষে কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে ভূমি সংশ্লিষ্ট সেবা নিতে আসা সরকারি এসব অফিসে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ভূমি মালিকদের। অফিসের কানগো টাকা ছাড়া কোন কাজই করেন না অফিসে দালাল স্বপন গ্রিন সিগন্যাল দিলে ফাইলে সাইন করে অথবা করেনা। ভূমি সংক্রান্ত যেকোন সেবার বিনিময়ে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। কানুনগোর কাছে গ্রাহকদের হয়রানি নিত্তনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে । স্থানীয় মেম্বার চেয়ারম্যান স্থানীয় সাংবাদিক অথবা প্রশাসনের লোক যদি কোন বিষয়ে তদবির করে তাদের কাছ থেকে টাকা নেই তিনি, তিনি বলেন আপনি তো তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন আমাকে দিবেন না কেন এমনটা বলে তার কাছে টাকা দাবি করে। অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে বলে জমির কাজে আসা ভূক্তভোগীদের দাবি।সেবা প্রাপ্তির ৮০ শতাংশ লোকই চরম হয়রানির শিকার হতে হয় আজ না-কাল সময়ক্ষেপন করে। সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে অতিরিক্ত হারে দাবিকৃত উৎকোচ না দিলে সেবা গ্রহীতারা পান না তাদের কাঙ্খিত সেবা।এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ধামরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অন্তরা হালদার এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

Related posts

Leave a Comment