আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস ২০২১ : আসুন বাঘ সংরক্ষণে সরকারের সহযোগী হই- দীপংকর বর

মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে বৃক্ষ ও বন-বনানি থাকা অত্যাবশ্যক। উপকূলীয় বন প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষাসহ বিপর্যয়কর ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে মানুষকে সুরক্ষা দেয়। সুন্দরবন বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট এলাকার অধিবাসীদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। অন্যদিকে, ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার’ আমাদের সুন্দরবনের রক্ষক। হলুদের ওপর কালো ডোরাকাটা অভিজাত প্রজাতির এ বাঘের উপস্থিতির কারণেই সুন্দরবন এত বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয়। সুন্দরবনে বেঙ্গল টাইগার না থাকলে সেখানকার সামগ্রিক প্রতিবেশ ব্যবস্থা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই সুন্দরবনকে বাঁচাতে বাঘ সংরক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশ, ভারত, বার্মা, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, ভুটান, নেপাল ও রাশিয়া…

ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে করোনা

রবিউল ইসলাম( আমল বাড়লেও মানুষের ইমানি শক্তিটা যেন দিন দিন কমেই চলেছে। তারা মুখে যা বলে কাজে তা করে না। আবার মুখে স্বীকার করলেও অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করে না।ইমানদার হতে হলে যে বিষয়গুলোর উপর বিশ্বাস স্থাপন করা জরুরী, তার মধ্যে তকদীরে বিশ্বাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি ইসলামের অন্যতম একটি রুকন। তকদীরে বিশ্বাস মানে ভাগ্যে বিশ্বাস। কিন্তু এই বিশ্বাসের জায়গাটা আমাদের খুবই হালকা। ঠিক যেন কচুপাতার পানি। ঝরে পড়ার জন্য সামান্য একটু বাতাসই যথেষ্ট। তাইতো সামান্য কিছু রোগশোকেই আমরা আমাদের ইমানটাকে হারিয়ে ফেলি।উম্মুল মুমীনিন হযরত আয়িশা (রা) বলেন, তিনি প্লেগ রোগ সম্পর্কে…

ঠাকুরগাঁওয়ে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কাউনের চাষ

মোঃ শফিকুল ইসলাম দুলাল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ সুস্বাদু একটি ফসলের নাম কাউন।কাউন পুষ্টিকর দানা জাতীয় খাদ্য। ঠাকুরগাঁওয়ে হারিয়ে যাচ্ছে কাউন চাষ।হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী কাউনের বৈজ্ঞানিক নাম ছিটারিয়া ইটালিকা। গোত্র-গ্রামিনি এবং বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এক সময় উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের গ্রামেগঞ্জে ব্যাপক চাষ হলেও বর্তমানে কাউন চাষে কৃষকের আগ্রহ না থাকায় হারিয়ে যেতে বসেছে কাউন।এইতো ১৫/২০ বছর আগে অনেকে কাউনের ভাত খেয়ে থাকত। জানা গেছে, স্বল্প খরচ, পরিবেশ বান্ধব, সহজ চাষ পদ্ধতি ও পানি সাশ্রয়ী হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঠিক তদারকির অভাব ও মানুষের অবহেলার কারণে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই ফসলটি…

আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস

শুভদিন অনলাইন রিপোর্টার: ১৭ রমজান। ঐতিহাসিক বদর দিবস। ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে তথা দ্বিতীয় হিজরির ১৭ রমজানে বদর প্রান্তরে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক যুদ্ধ। প্রতিপক্ষ ছিল মক্কার মুশরিক ও মদিনার মুসলিম। এতে মুসলমানদের সেনা সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩। এই যুদ্ধে মুসলমানরা সংখ্যায় কম হয়েও কাফিরদের বিশাল বাহিনীর ওপর বিজয় লাভ করেছে। কোরআন কারিমে এই যুদ্ধকে সত্য-মিথ্যার মধ্যে পার্থক্যকারী যুদ্ধ বলে অভিহিত করা হয়েছে। বদর যুদ্ধ থেকে শিক্ষাইসলামের ইতিহাসে এই যুদ্ধের অসামান্য গুরুত্ব রয়েছে। নিম্নে এই যুদ্ধের কিছু শিক্ষণীয় দিক তুলে ধরা হলো—পরামর্শ : রাসুল (সা.)-এর সব কাজকর্ম ওহি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়া সত্ত্বেও তিনি…

ইতিহাসের সাক্ষী: ১৯৪৭ সালে কীভাবে দু’ভাগ হয়েছিল কাশ্মীর

শুভদিন অনলাইন রিপোর্টার: ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর অঞ্চল দু’ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল ১৯৪৭ সালে উপজাতীয় যোদ্ধাদের এক অভিযান এবং তারপরের সামরিক সংঘাতের মধ্যে দিয়ে ।সেই সংঘাতের শিকার হয়েছিলেন এরকম কিছু মানুষ, এবং কাশ্মীরের রাজনীতিবিদদের সাথে কথা বলেছেন বিবিসির অ্যান্ড্রু হোয়াইটহেড।তা নিয়েই বিবিসি বাংলার ইতিহাসের সাক্ষীর এই পর্ব।সেটা ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাস। পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর উপজাতি গোষ্ঠীগুলোর যোদ্ধারা অভিযান চালান কাশ্মীর উপত্যকায়।তাদের হাতে ছিল প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র – কিন্তু তারা তেমন সুশৃঙ্খল বাহিনী ছিল না। ট্রাকে করে এই যোদ্ধাদের দল অগ্রসর হলো বারামুল্লার দিকে।কাশ্মীর উপত্যকার এক প্রান্তে একটি কৌশলগতভাবে…

খেজুরের বিশেষ গুণ

শুভদিন অনলাইন প্রতিনিধিঃ খেজুর, চমৎকার উপকারি একটি ফল। দেশের বাজারে বছরভরই পাওয়া যায় এ ফল। অনেকেরই পছন্দের তালিকায়ও রয়েছে খেজুর। তবে খেজুর যারা পছন্দ করেন না তারা হয়ত জানেনই না যে এটি খেলে শারীরিকভাবে কী দারুণ উপকার মেলে।খেজুরে রয়েছে এমিনো এসিড, প্রচুর শক্তি, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। খেজুর শরীরের প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। খেজুরের গুণের কারণে পুষ্টিবিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ডায়েট ফুড’। এবার খেজুরের যাবতীয় পুষ্টিগুণ জেনে নেওয়া যাক-ইন্সট্যান্ট এনার্জিবিজ্ঞানীরা খেজুরকে বলে থাকেন ইন্সট্যান্ট এনার্জির ভাণ্ডার। মানে নিমিষেই প্রাণশক্তি। ইন্টারন্যাশনাল…

জাতীয় বীমা দিবস: বীমা শিল্পের নতুন অধ্যায়

ভূমিকা:আজকের বাংলাদেশ উন্নয়ন সূচকের মাপকাঠিতে প্রতিবেশী অনেক দেশ, বিশেষতঃ ভারত ও পাকিস্তান থেকে অর্থনৈতিভাবে এগিয়ে আছে। বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনেও বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্র প্রবলভাবে ফুটে উঠেছে। এই উন্নয়নের ব্যাপ্তি শিল্প-বানিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্নি খাতে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা স্পষ্টভাবে প্রায় সর্বত্র পরিলক্ষিত হলেও বীমা খাতে এখনও পর্যন্ত চোখে পড়ার মত তেমন কোন সফলতা নেই বললেই চলে। নানা কারনেই বীমা শিল্পটি এখনও অবহেলিত। এর মূলে রয়েছে এদেশের মানুষের অনভিজ্ঞতা এবং বীমা সম্পর্কে অসচেতনতা। বস্তুতঃ আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বীমাকে এখনও আলোচনার বিষয় হিসেবে কারিকুলামে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি। যে সকল ছাত্র-ছাত্রী বিজ্ঞান…

শিনজিয়াংএ উইঘুরদের সংখ্যা কমাতে চাকরি দিয়ে বাড়ি থেকে বহুদূরে পাঠিয়ে দিচ্ছে চীন

শুভদিন অনলাইন রিপোর্টার: শিনজিয়াং প্রদেশের হাজার হাজার উইঘুর এবং আরো নানা জাতিগত সংখ্যালঘুদের তাদের বাড়ি থেকে অনেক দূরে কাজের জন্য পাঠিয়ে দিচ্ছে চীনা কর্তৃপক্ষ। আর তাদের আদি আবাসভূমিতে এর ফলে তাদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। চীনে বিবিসির উচ্চ পর্যায়ের একটি জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে।এর মধ্যে দিয়ে চীনের পশ্চিমাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর অনুপাত বদলে দেবার চেষ্টা হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে সরকার তা অস্বীকার করছে।চীনা সরকার বরং বলছে, গ্রামীণ এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে চলতে থাকা বেকারত্ব এবং দারিদ্র দূর করার লক্ষ্যে মানুষের আয় বাড়াতেই এসব চাকরি ও বদলির পরিকল্পনা…

বিরল পাখি: ‘অর্ধেক পুরুষ আর অর্ধেক নারী’ পাখির ছবি তুললেন পাখিবিদ

শুভদিন অনলাইন রিপোর্টার: যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে একটি বিরল পাখি দেখা গেছে, যার শরীরের অর্ধেকটা নারী এবং অর্ধেকটা-পুরুষের মতো মনে হচ্ছে।পাখিটির নাম নর্দার্ন কার্ডিনাল। এই পাখির পুরুষ বা নারী প্রজাতির ছবি আলোকচিত্রীদের ফ্রেমবন্দি হলেও, এবার এর মিশ্র লিঙ্গের ছবি ধরা পড়েছে।পাখি বিশেষজ্ঞ জেমি হিল যখন তার বন্ধুর কাছ থেকে এই পাখির বিষয়ে জানতে পারেন, তৎক্ষণাৎ তার ক্যামেরা নিয়ে ছুটে যান। আর বিরল এই পাখির ছবি ধারণ করেন।যদিও এটিই প্রথম নয়, তবে এটা নিশ্চিত যে মিশ্র লিঙ্গের পাখি অনেক বিরল।পুরুষ কার্ডিনালগুলো সাধারণত উজ্জ্বল লাল রঙের হয়ে থাকে এবং নারী কার্ডিনালগুলো হয়ে থাকে…

পরিবেশ সংরক্ষণে বঙ্গবন্ধুর ভাবনা ও প্রকৃতি প্রেম: প্রফেসর ড. মো. আজহারুল ইসলাম

শুভদিন অনলাইন রিপোর্টার: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার পাশাপাশি শুরু করেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজ। দেশ পুর্নগঠনে দূরদর্শিতার পরিচয় দেন তিনি, যার মধ্যে প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ উল্লেখযোগ্য। দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধে বৃক্ষসম্পদের যে ক্ষতি হয়েছিল তা থেকে উত্তরণের দেশজুড়ে বঙ্গবন্ধু শুরু করেন বৃক্ষরোপণ অভিযান। গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করেন জনগণকে। এজন্য গণভবন এবং বঙ্গভবনসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে রোপণের উদ্যোগ নেন।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন একজন প্রকৃতি প্রেমিক। একজন পরিবেশ প্রেমিক। দেশমাতৃকার প্রতি যে দরদ ও ভালোবাসা বঙ্গবন্ধু সব সময় অনুভব করতেন, ঠিক তেমনি দেশের প্রকৃতি…